পুঁজিবাজারে সূচক কমেছে দেড় শতাংশের বেশি

দেশের পুঁজিবাজারে সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে গতকাল সূচকে নিম্নমুখিতা দেখা গেছে।

দেশের পুঁজিবাজারে সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে গতকাল সূচকে নিম্নমুখিতা দেখা গেছে। এদিন প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক কমেছে ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ। পাশাপাশি এক্সচেঞ্জটির লেনদেন কমেছে ১৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেনের শুরু থেকে নিম্নমুখী ছিল সূচক। দিনশেষে ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ৮০ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১১৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৫ হাজার ১৯৭ পয়েন্ট। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ দিনের ব্যবধানে ২৮ দশমিক ৬০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ৯৯৬ পয়েন্ট। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস এদিন ২০ দশমিক ২৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ১১২ পয়েন্ট।

গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, পূবালী ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, রেনাটা ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার।

ডিএসইতে গতকাল ৪৮৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৬০৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। গতকাল এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়ার ৩৯৬টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৩৩টির, কমেছে ৩২৮টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৩৫টির।

খাতভিত্তিক লেনদেন চিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। ১১ দশমিক ৫ শতাংশ দখলে নিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র ও জীবন বীমা খাত। ব্যাংক খাত ৯ শতাংশ লেনদেন নিয়ে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে ছিল। ৮ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার চতুর্থ স্থানে ছিল প্রকৌশল খাত। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা জীবন বীমা খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৬ দশমিক ৩ শতাংশ।

গতকাল ডিএসইতে সব খাতের শেয়ারেই নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫ দশমিক ৭ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে পাট খাতে।

এছাড়া সিরামিক খাতে ৫ দশমিক ১, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৪, আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে ৩ দশমিক ২, কাগজ ও মুদ্রণ খাতে ২ দশমিক ৯ এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ২ দশমিক ৮ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন ছিল।

আরও